হেডমাস্টার কর্নার

প্রধান শিক্ষকের বাণী

প্রধান শিক্ষকের বাণী বিস্তারিত.....

বিদ্যালয়ের ইতিহাস

এস, এম, মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়


সেন্ট মথুরানাথ ১৮৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ভাগে নৌকাযোগে কোলকাতা থেকে গোপালগঞ্জ পৌছে থানায় আশ্রয় গ্রহণ করেন। অতঃপর শিক্ষা বিস্তারের উদ্দেশ্যে নিজের বাড়ীতে একটি প্রাথমিক পাঠশালা স্থাপন করেন। স্থাপিত পাঠশালাটি ক্রমে ক্রমে প্রাইমারি ও পরে মিশন স্কুল নামে পরিচিতি পায়। ১৯০১ সালের ২ সেপ্টেম্বর তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর পর জেষ্ঠপুত্র মহেন্দ্রনাথ বোস ঐ মিশন স্কুলটির নামকরণ করেন মথুরানাথ ইনস্টিটিউট(এম.এন.ইনস্টিটিউট)। মথুরানাথ ইনস্টিটিউটের কিছু বাধ্য বাধকতা থাকায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তি ও ছাত্র অভিভাবকরা অন্য একটি উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সীতানাথ বাবুর শরণাপন্ন হন এবং তিনি তাদের আবেদনে সাড়া দেন। স্থানীয় জনসাধারণ ১৯১৪ সালে জমিদার বাবু সীতানাথের নামানুসারে সীতানাথ একাডেমী (পাবলিক স্কুল) স্থাপন করেন। বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই স্বনামধন্য বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন। তৎকালীন মহাকুমা প্রশাসকের উদ্যোগে ১৯৫০ সালে সীতানাথ একাডেমী ও মথুরানাথ ইনস্টিটিউট এই দুইটি উচ্চ বিদ্যালয় একত্র করে এস,এম, মডেল উচ্চ বিদ্যালয় নামে একটি অভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়। যা বর্তমানে সীতানাথ একাডেমির সকল স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। বিদ্যালয়টি ১৯৭০ সালে জাতীয়করণ করা হয়। বর্তমানে এই বিদ্যালয়টি (সীতানাথ মথুরানাথ) এস,এম, মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় নামে পরিচিত। প্রতিষ্ঠাকাল হতে পরীক্ষার ফলাফল খেলাধুলা ও সংস্কৃতি অঙ্গনে বিদ্যালয়ের ছাত্ররা কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে চলছে। এসএসসি ও জেএসএসসি পরীক্ষায় প্রায় শতভাগ ছাত্র পাস করে থাকে । বর্তমানে মেধা বৃত্তি ও জিপিএ ৫ পেয়ে বিদ্যালয়টি জেলায় সর্বোচ্চ স্থানটি ধরে রেখেছে। খেলাধুলায় চ্যাম্পিয়ান হয়ে উপঅঞ্চল ও অঞ্চল পর্যায়ে খেলে থাকে। বিভিন্ন প্রকার জাতীয় দিবসগুলোতে ছাত্ররা নিয়মিত অংশগ্রহণ করে এবং কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে চলছে। বর্তমান র্যাব এর মহাপরিচালক জনাব বেনজীর আহমদ, ঢাকা জেলার বর্তমান পুলিশ সুপার জনাব হাবিবুর রহমান ও মাননীয় উপ-সচিব ক্রীড়া-মন্ত্রণালয় জনাব শিবনাথ রায় সহ অনেক ছাত্র দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সুনামের সাথে পালন করে চলেছেন। পরিশেষে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কল্যাণ কামনায় শেষ করছি।